Happy Durga Puja 2026 Wishes: ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর শুভেচ্ছা বার্তা ও ছবি
When we had bid goodbye to Ma Durga at last year’s bisarjan, chanting “আসছে বছর আবার হবে”, most of us went home with heavy hearts and started counting the days until Maa returns. Now that Ma Durga is finally here, many of us are looking for heartfelt Happy Durga Puja wishes in Bengali for our loved ones. We also look for beautiful Durga Puja images of Ma, because sending Her picture to someone feels like passing on Her blessings. Who will be the first person you wish this Puja? Will it be your parents, a sibling, a close relative or the friend you’ll be pandal-hopping with till three in the morning?
Well, it seems Ma Durga intends to stay a little longer with us this year, as Saptami stretches over both Saturday and Sunday, spreading the Puja across six days. The celebrations begin with the Bodhon on Friday, 16 October, and end with Bijoya Dashami on Wednesday, 21 October. In between, the Ashtami Anjali and Sandhi Puja fall on Monday, 19 October, the most sacred morning of the Puja for many Bengalis. But have you noticed how the mood of the Puja changes a little with every passing day?
So, keeping these changing moods in mind, we have put together for you a collection of Happy Durga Puja wishes in Bengali, with images, for every day from Sasthi to Dashami. Whether you’re wishing your colleagues before the office closes for Puja, or your cousin who couldn’t come home from Bengaluru, or even looking for Bijoya Dashami wishes in Bengali for the elders you’ll visit after the bisarjan, you’ll find them here. Since the Puja days keep us busy round the clock, you can come back each day and pick your Happy Durga Puja 2026 wishes in a minute. If you’re looking for Durga Puja wishes in English, check out our earlier collection.
Happy Durga Puja Wishes in Bengali : দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও ছবি
এই অংশে রইল এমন কিছু Durga Puja wishes in Bengali আর ছবি, যা পুজোর যেকোনো দিন আপনি প্রিয়জনদের পাঠাতে পারেন। শরৎকালে মা আসেন বলে এই পুজোকে আমরা শারদীয়া দুর্গাপুজোও বলি, আর পুজোর আগে থেকেই একে অপরকে দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানানোর চল আমাদের অনেক দিনের। পাড়ার যে পুরনো বন্ধুদের সাথে শুধু পুজোতেই জমিয়ে আড্ডা হয়, তাদের থেকে শুরু করে পাশের ফ্ল্যাটের কাকিমা, কিংবা স্কুলের সেই প্রিয় মাস্টারমশাই, যাঁকে প্রতি পুজোয় একবার ফোন না করলে মন খুঁতখুঁত করে, সবার জন্যই এখানে মনের মতো শুভেচ্ছা পাবেন।
আসলে পুজোর শুভেচ্ছা মানে তো মায়ের কাছে আপনজনদের জন্য সুখ, শান্তি আর ভালো থাকার একটা ছোট্ট প্রার্থনা। তাই Happy Durga Puja 2026 উপলক্ষে নিচের শুভেচ্ছা আর ছবিগুলো থেকে পছন্দেরটি বেছে নিয়ে পাঠিয়ে দিন কাছের মানুষদের।
নীল আকাশে পেঁজা তুলোর
মেঘ ভাসে ওই দূরে,
নদীর ধারে কাশ দুলে যায়,
আগমনীর সুরে।
শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
মায়ের আশিস ঝরে পড়ুক শরৎ-রোদের মতো,
তোমার ঘরে সুখ-শান্তি আসুক শত শত।
শারদীয়ার শুভেচ্ছা।
ভোরের ঘাসে শিউলি ঝরে
শিশির মেখে গায়ে।
ভক্তিভরে অঞ্জলি দিই,
মায়ের রাঙা পায়ে।
শুভ শারদীয়ার আন্তরিক অভিনন্দন।
ঢাকের তালে মাতল পাড়া,
শঙ্খ-কাঁসর বাজে,
ধুনোর ধোঁয়ায় সন্ধ্যা নামে
আলোর রঙিন সাজে।
আরতির ওই প্রদীপ-শিখায়
মায়ের মুখটি হাসে,
সেই হাসিটি সারা বছর
থাকুক সবার পাশে।।
শুভ শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা
ঢাকের বোলে বলছে যেন, মা এসেছেন ঘরে,
আলো-গানে, শাঁখ-উলুতে ভুবন গেলো ভরে।
শুভ শারদীয়া।
ছোটবেলার পুজো ছিল ক্যাপ-বন্দুকের সুখ,
নতুন জুতোয় ফোস্কা পড়েও হাসিভরা মুখ।
আজও শরৎ এলে পরে, সেই দিনগুলো ডাকে
মনের কোণে রয়ে যাওয়া ছোট্ট আমিটাকে।
শুভ শারদীয়ার আন্তরিক অভিনন্দন।
দুঃখ এলে সাহস দিয়ো, ক্লান্ত হলে আশা,
সবার ঘরে থাকুক মা গো তোমার ভালোবাসা।
শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা|
দিঘির জলে পদ্ম ফোটে, শালুক মেলে আঁখি,
মায়ের পুজোয় দেব বলে যত্নে তুলে রাখি।
তোমাকে জানাই দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা।
সোনা রোদের সকাল বেলা,
আকাশ জুড়ে মেঘের মেলা,
শিউলি ফোটে গাছে গাছে,
উমা আসেন মোদের কাছে।
শারদীয়ার আন্তরিক অভিনন্দন।
দশ হাতে মা অস্ত্র ধরেন, মুখে স্নেহের আলো,
সেই আলোতে ঘুচে যাক মনের যত কালো।
শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা|
খিচুড়ি ভোগ, লাবড়া, ভাজা,
গরম গরম, একদম তাজা।
সারি সারি পাতা পেতে,
বসলো পাড়া প্রসাদ খেতে।
পাড়া-প্রতিবেশী মিলিত হবে,
আসছে বছর আবার হবে।
শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা।
আলোয় আলোয় সাজল পাড়া,
চারদিকে আজ খুশির সাড়া,
পুরোনো সব বন্ধু এল,
আড্ডা আবার জমে গেল।।
দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই।
নতুন জামা, নতুন জুতো,
ঠাকুর দেখার হাজার ছুতো।
আড্ডা চলে অনেক রাতে,
ফুচকা-রোলের সাথে সাথে।
আলোর রোশনাই, ভিড়ের ঠেলা,
পুজো মানেই মিলনমেলা।
পুজোর দিনগুলো কাটুক আড্ডা, হাসি আর আনন্দে।
শুভ শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ধুনোর ধোঁয়ায় মিশে আছে কত মনের কথা,
মা গো তুমি ঘুচিয়ে দিয়ো সবার যত ব্যথা।
শুভ শারদীয়ার শুভেচ্ছা|
দশ হাতে মা অস্ত্র ধরো, অসুর করো নাশ,
মন থেকে আজ দূর করে দাও হিংসা-লোভের বাস।
সবার ঘরে শান্তি আসুক, দুঃখ চলে যাক,
তোমার আশিস সবার মনে চিরকালই থাক।
শুভ শারদীয়ার আন্তরিক অভিনন্দন।
শরতের এই মেঘের ভেলা,
কাশফুলেতে লাগলো দোলা,
ঢাকের উপর পরলো কাঠি,
পুজো কাটুক ফাটাফাটি।
তোমাকে জানাই দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
নীল আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনা চলে,
নদীর ধারে কাশের ফুল হাওয়ার ছোঁয়ায় দোলে।
মায়ের আসার খুশিতে আজ গাই আগমনীর গান,
সুখে কাটুক পুজোর ক’দিন, জুড়িয়ে যাক প্রাণ
শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
ধুনুচির ধোঁয়ায় মণ্ডপ ভরে,
বাজে ঢাকের সুর,
মায়ের মুখের হাসি দেখে
দুঃখ হোক দূর।
মায়ের কাছে হাতজোড় করে
এটুকুই শুধু চাই,
সুস্থ থাকুক, সুখে থাকুক
আপনজন সবাই।
দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই।
Subho Sasthi Wishes in Bengali | শুভ মহাষষ্ঠীর শুভেচ্ছা ও ছবি
ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় বেলতলায় মায়ের বোধনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় পুজোর মূল পর্ব, আর তার সঙ্গে চলে আমন্ত্রণ ও অধিবাসের পালা। এই দিন থেকেই আলমারিতে তুলে রাখা নতুন জামাগুলো একে একে বেরোতে শুরু করে, আর বিকেল গড়াতেই বাড়ির ছোটরা পাড়ার প্যান্ডেলে গিয়ে মাকে দেখার বায়না জোড়ে। ছোটবেলায় দাদুর হাত ধরে মায়ের মুখ দেখতে যাওয়ার সেই আনন্দ কি আজও ভুলতে পেরেছেন? নাকি প্রতি বছর এই দিনটা এলেই সেই স্মৃতিগুলো আবার ফিরে আসে? পুজো শুরুর এই আনন্দের ভাগ দিতেই ষষ্ঠীর দিন আমরা প্রিয়জনদের শুভেচ্ছা পাঠাই, যাতে বাকি দিনগুলোও সবার ভালোয় আর হাসিখুশিতে কাটে। আপনার জন্য নিচে রইল Subho Sasthi wishes in Bengali আর ছবি, যেগুলো বোধনের সন্ধ্যাতেই পাঠিয়ে দিতে পারেন সবাইকে।
দূরে থাকা আপন মানুষ ফিরুক নিজের ঘরে,
ষষ্ঠীর রাতে গল্প জমুক অনেক দিনের পরে।।
সপরিবারে আনন্দে কাটুক মহাষষ্ঠী।
অফিস ছুটি, ইস্কুল ছুটি,
আজকে ষষ্ঠী, নেচে উঠি।
বইয়ের ব্যাগটা তুলে রেখে,
বন্ধুদের সব আনি ডেকে।
এখন শুধু মজার পালা,
পড়ার ঘরে ঝুলছে তালা।
শুভ ষষ্ঠী।
এলে যখন, এবার মা গো যাওয়ার কথা নয়,
চারটে দিনে মন ভরে না, তুমিই বলো, হয়?
মহাষষ্ঠীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠীর এই বোধনলগ্নে জ্বলুক ঘরে আলো,
যাদের মুখে হাসি নেই, মা, তাদের রেখো ভালো।।
মহাষষ্ঠীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
অকাল বোধনে মেলে মায়ের স্নেহের পরিচয়,
সন্তানের ডাক শুনলে মা ঘুমিয়ে কি আর রয়?
মহাষষ্ঠীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠীর বোধন জাগিয়ে দিক ঘুমিয়ে থাকা মন,
দূরের মানুষ কাছে এসে হোক না আপনজন।।
শুভ ষষ্ঠীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠী এলো, সামনে এখন পুজোর ক’টা দিন,
হাসি-খুশিতে তোমার জীবন, হোকনা রঙ্গিন।
শুভ মহাষষ্ঠীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠীর শুভ বোধন হয়,
মায়ের স্নেহে কাটুক ভয়।
মায়ের পায়ে ফুলের ডালি,
ভক্তিভরে প্রদীপ জ্বালি।
শুভ মহাষষ্ঠী।
সারা বছর ঘরের কোণে ঢাকটা থাকে একা,
আজকে আবার ঢাকির কাঁধে তাকে গেলো দেখা।
প্রথম কাঠি পড়তেই ঢাকে নেচে উঠলো পাড়া,
পুজো এলো, পুজো এলো, পড়লো খুশির সাড়া।
শুভ ষষ্ঠী।
সারা বছর ঘরের কোণে ঢাকটা থাকে একা,
আজকে আবার ঢাকির কাঁধে তাকে গেলো দেখা।
প্রথম কাঠি পড়তেই ঢাকে নেচে উঠলো পাড়া,
পুজো এলো, পুজো এলো, পড়লো খুশির সাড়া।
শুভ ষষ্ঠী।
মা এলেন বাপের বাড়ি,
পরনে তাঁর লাল শাড়ি।
মায়ের আশিস সঙ্গে থাক,
দুঃখগুলো দূরে যাক।
শুভ মহাষষ্ঠী।
মণ্ডপে আজ বোধন হচ্ছে, ষষ্ঠী তিথির সাঁঝে,
পুরুতমশাই মন্ত্র পড়েন, শঙ্খ-ঘণ্টা বাজে।
ঘুম ভেঙে মা চোখ মেলে চান সবার মুখের পানে,
মা জেগেছেন, এই খুশিটা ধরে না আর প্রাণে।
মায়ের বোধনের শুভক্ষণে জানাই মহাষষ্ঠীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠী এলো, চল না ভাই,
সবাই মিলে ঘুরতে যাই।
পথের মোড়ে আলোর মেলা,
জমুক আড্ডা রাতের বেলা।
শুভ মহাষষ্ঠীর শুভেচ্ছা।
ষষ্ঠী মানে শুরুর খুশি, শেষের কথা দূরে,
পাড়ার যত বন্ধু মিলে ঠাকুর দেখবো ঘুরে।
শুরু হোক পুজোর আনন্দ।
শুভ মহাষষ্ঠীর অভিনন্দন।
ষষ্ঠী এলো, প্যান্ডেল বাকি,
সন্ধের আগে হবে নাকি?
ক্লাবের ছেলে ছুটছে সবাই,
“পেরেক, দড়ি, বাঁশ কোথায় ভাই?”
সন্ধে হতেই জ্বললো আলো,
মায়ের কৃপায় সবই ভালো।
শুভ মহাষষ্ঠী।
ষষ্ঠী এলো, বাজল ঢাক,
কাজের চিন্তা দূরে থাক।
নতুন জামা গায়ে দিয়ে,
বেরিয়ে পড়ি বন্ধু নিয়ে।
শুভ ষষ্ঠী।
Subho Saptami Wishes in Bengali | শুভ সপ্তমীর শুভেচ্ছা ও ছবি
সপ্তমীর ভোরে গঙ্গার ঘাটে কিংবা পাড়ার পুকুরপাড়ে কলাবউ স্নান দেখতে কখনও গেছেন? কলাগাছের সঙ্গে আরও আটটি গাছ বেঁধে তৈরি এই নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে লালপাড় শাড়ি পরানো হয়, তারপর কলাবউকে মণ্ডপে এনে বসানো হয় গণেশের পাশে। অনেকেই একে গণেশের বউ ভেবে ভুল করেন, কিন্তু আসলে এই নবপত্রিকা হলো প্রকৃতির মধ্যে মায়েরই আরেক রূপ। এরপর দিনভর চলে পুজো, আর দুপুর হতেই শালপাতায় খিচুড়ি ভোগের জন্য প্যান্ডেলে লম্বা লাইন পড়ে যায়। সদ্য মা হওয়া যে বন্ধু এবার ছোট্ট সোনাকে নিয়ে ভিড়ে বেরোতে পারবে না, তাকেও নিচের Subho Saptami wishes in Bengali ও ছবিগুলো পাঠিয়ে দিন, যাতে ঘরে বসেই সে সপ্তমীর ছোঁয়া পায়।
গঙ্গাজলে স্নান সেরেছে কলা বউ আজ ভোরে,
লালপাড় শাড়ি, ঘোমটা টেনে ফিরলো মায়ের ঘরে।
শুভ মহাসপ্তমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ইস্কুলের সেই বন্ধুরা সব কে যে কোথায় থাকে,
সপ্তমীতে ভিড়ের ফাঁকে হঠাৎ দেখি তাকে।
চিনতে পারি পুরনো সেই সুখ-দুঃখের সাথি,
আগের মতোই আড্ডা দিয়ে আবার আমরা মাতি।
শুভ সপ্তমী।
সপ্তমীতে মা এসেছেন ন’টি গাছের সাজে,
কলা, কচু, ধান, হলুদের সবুজ পাতার মাঝে।
চাষির মুখে ফুটুক হাসি, ধানে ভরুক গোলা,
সবার ঘরে লক্ষ্মী আসুক, থাকুক দুয়ার খোলা।
মায়ের আশীর্বাদে সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক সবার ঘর।
শুভ সপ্তমী।
সপ্তমীর ভোর, নদীর ঘাটে
নবপত্রিকার স্নান।
ঢাকের বোলে মায়ের পুজোয়
নেচে উঠুক প্রাণ।
শুভ মহাসপ্তমী।
দশ হাতে মা আগলে রাখো সবার ছোট্ট ঘর,
সপ্তমীর এই শুভ দিনে এটুকু দাও বর।
অসুখ যেন না ছোঁয় কাউকে, ঘুচুক সবার ভয়,
জগৎ জুড়ে হোক মা তোমার শুভ শক্তির জয়।
মহাসপ্তমীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
সপ্তমীতে শিউলি-মালা দিলাম তোমার গলায়,
সারা বছর রেখো মা গো স্নেহের আঁচল-তলায়।
মায়ের আশীর্বাদে সারা বছর ভালো থাকুক সবাই।
শুভ মহাসপ্তমী।
স্নান সেরে আজ কলাবউ এলো মায়ের ঘরে।
সপ্তমীর এই শুভ দিনে খুশিতে মন ভরে।
শুভ সপ্তমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
সপ্তমীতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা,
মায়ের আশিস চাই।
সুখে থাকুক, ভালো থাকুক
আপনজন সবাই।
মহাসপ্তমীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
সপ্তমীতে মায়ের কাছে তোমার জন্য চাওয়া,
জীবন জুড়ে বইতে থাকুক খুশির মিষ্টি হাওয়া।
সুস্থ থেকো, ভালো থেকো, পূর্ণ হোক সব আশা,
এই শুভ দিনে জানাই তোমায় অজস্র ভালোবাসা।
শুভ মহাসপ্তমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
শিউলি কুড়িয়ে ডালি ভরি
আজ সপ্তমীর ভোরে।
মায়ের স্নেহ সঙ্গে থাকুক,
শান্তি থাকুক ঘরে।
শুভ সপ্তমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
সপ্তমীতে নামলো বৃষ্টি,
এ কী রে ভাই অনাসৃষ্টি?
কাদা মেখে, ছাতা নিয়ে,
ঠাকুর দেখি ভিজে গিয়ে।
জুতো ভেজে, শাড়ি ভেজে,
তবু সবাই বেরোয় সেজে।
শুভ মহাসপ্তমী।
তোমার হাতটি ধরে কুড়ি বছর ঠাকুর দেখা,
প্রথম পুজোর সেই ছবিটা মনের পাতায় লেখা।
চুলে এখন পাক ধরেছে, বয়স গেছে বেড়ে,
তবু তোমার হাতটা আজও যায়নি আমায় ছেড়ে।
প্রিয় মানুষের হাত ধরে কাটুক সপ্তমীর সন্ধ্যা।
শুভ মহাসপ্তমী।
Maha Ashtami Wishes in Bengali | শুভ অষ্টমীর শুভেচ্ছা ও ছবি
ভোর ভোর স্নান সেরে অষ্টমীর জন্য আলাদা করে রাখা শাড়ি বা পাঞ্জাবিটা পরা হোক, কিংবা খালি পেটে অঞ্জলির জন্য প্যান্ডেলের দিকে ছোটা, এই সকালটা বাঙালির কাছে একেবারে অন্যরকম। তারপর ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে পুরোহিতমশাইয়ের সঙ্গে গলা মিলিয়ে মন্ত্র পড়ে মায়ের পায়ে ফুল-বেলপাতা দেওয়ার মুহূর্তটায় মনটা নিজে থেকেই শান্ত হয়ে যায়। অনেক জায়গায় এই দিনে কুমারী পুজোও হয়, আর অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে একশো আটটি প্রদীপ জ্বেলে, একশো আটটি পদ্ম দিয়ে হয় সন্ধিপুজো। অষ্টমীর জন্য যেমন আমরা সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটা আলাদা করে রাখি, তেমনই এই দিনের শুভেচ্ছাটাও একটু বিশেষ হওয়া চাই। সেই ভাবনা থেকেই নিচে রইল Maha Ashtami wishes in Bengali ও ছবি, যেগুলোতে অষ্টমীর ভক্তি আর আনন্দ দুটোই খুঁজে পাবেন।
ছুটি আজ, নেই কাজের তাড়া,
ঢাকের বোলে মাতুক পাড়া।
আড্ডা জমুক, কাটুক বেলা,
অষ্টমী হোক খুশির মেলা।
শুভ মহাষ্টমী।
মা গো, এই অষ্টমীতে
সবার ঘরে এসো।
যাদের মুখে হাসি নেই,
তাদের আরও ভালোবেসো।
মহাষ্টমীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ঢাকের বোলে, শাঁখের সুরে,
অষ্টমী আজ পাড়া জুড়ে।
সবার মুখে খুশির হাসি,
মায়ের কাছে বারবার আসি।
অষ্টমীর আনন্দে ভরে উঠুক সবার মন।
শুভ অষ্টমী।
ভোগের পাতে খিচুড়ি চাই,
এক সারিতে বসে খাই।
কেউ যেন আজ একলা না রয়,
অষ্টমী হোক আনন্দময়।
শুভ মহাষ্টমী।
মাগো তুমি পাশে থেকো,
ভয়-ভাবনা দূরে রেখো,
মুছে দিও সকল দুঃখ-কষ্ট, গ্লানি,
মা, তুমিই আমার শক্তি—আমি জানি।
শুভ মহাষ্টমী।
সন্ধিপুজোয় প্রদীপ জ্বলে,
আলোয় ভরুক মন।
মায়ের স্নেহে দূরের মানুষ
হয়ে উঠুক আপন।
মহাষ্টমীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
অষ্টমী আর নবমীর ঠিক মাঝের সময় হলে,
একশো আটটা প্রদীপ তখন মায়ের সামনে জ্বলে।
একশো আটটা পদ্মফুলে সাজে মায়ের থালা,
সন্ধিপুজোর পুণ্য ক্ষণে মুছে যাক সব জ্বালা।
সন্ধিপুজোর প্রদীপের আলোয় ভরে উঠুক সবার জীবন।
শুভ মহাষ্টমী।
আধখানা চাঁদ আকাশে আজ,
অষ্টমীর এই রাতে,
চাঁদের আলো মেশে এসে,
প্রদীপ-আলোর সাথে।
দেখি মায়ের মুখে তখন
স্নিগ্ধ হাসি ফোটে,
মনে শান্তি নেমে আসে,
প্রাণটা জেগে ওঠে।
মহাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
নতুন শাড়ি-পাঞ্জাবিতে,
মায়ের সাথে ছবি নিতে,
সবাই মিলে দাঁড়াই পাশে,
মা-ও যেন মুচকি হাসে।
পুজোর সুন্দর মুহূর্তগুলো থাকুক চিরদিন।
শুভ অষ্টমী।
অষ্টমীর সকাল, ধূপের ধোঁয়া,
মায়ের মুখে আলোর ছোঁয়া।
ফুলের সঙ্গে এই প্রার্থনা
মায়ের পায়ে রাখি,
দুঃখে-সুখে আপনজনের,
পাশে যেন থাকি।
শুভ মহাষ্টমী।
ঘড়ির দিকে তাকাস কেন?
দেখ না মণ্ডপের সাজ।
বাড়ি ফিরতে একটু না হয়
দেরিই হলো আজ।
শুভ অষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
মন্ত্রগুলো বড্ড ভারি,
আধাআধি বলতে পারি।
বাকিটুকু থাক মনে মনে,
মা তো সবই বোঝে, শোনে।
মায়ের কাছে পৌঁছে যাক সবার মনের প্রার্থনা।
শুভ অষ্টমী।
Maha Navami Wishes in Bengali | শুভ নবমীর শুভেচ্ছা ও ছবি
নবমী মানেই পুজোর শেষ রাত, যে রাতে আনন্দের সঙ্গে মিশে থাকে একটু মন খারাপও। সকালে মণ্ডপে নবমীর হোম হয়, ঠাকুরমশাই আগুনে ঘি আর বেলপাতা আহুতি দেন, যার গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে গোটা পাড়ায়। সন্ধ্যার আরতিতে ধুনুচি নাচ শুরু হলে পাড়ার কাকুরাও আর বসে থাকতে পারেন না। রাত যত গভীর হয়, প্যান্ডেল ছেড়ে বাড়ি ফেরার ইচ্ছেটা ততই কমে যায়, কারণ সবাই জানে কালই মায়ের বিদায়ের পালা। এই শেষ রাতে ভেবে দেখুন তো, পাড়ার পুজো কমিটির যে ছেলেমেয়েরা মাসের পর মাস খেটে এমন সুন্দর একটা পুজো উপহার দিল, তাদের কি একবারও ধন্যবাদ জানিয়েছেন? নিচের Maha Navami wishes in Bengali ও ছবিগুলো দিয়েই না হয় তাদের, আর সেই সঙ্গে সব আপনজনকে জানিয়ে দিন, পুজোর এই সময়টা কতটা ভালো কাটল।
হাসি-গানে, আলোয় ভরা চারটে দিনের জন্য,
তোমায় প্রণাম, মা গো, তোমার আসায় আমরা ধন্য।
যা চেয়েছি, তুমি দিলে, কাছে টেনে নিলে,
তোমার আশিস নিয়ে যেন থাকি সবাই মিলে।
মায়ের আশীর্বাদে সবার জীবন হোক সুখময়।
শুভ মহানবমী।
মায়ের চোখে জল এসেছে,
কাল যে বিদায়, মা বুঝেছে।
কেঁদো না মা, আমরা আছি,
থাকবো তোমার কাছাকাছি।
বছর ঘুরে আবার এসো,
আগের মতোই ভালোবেসো।
শুভ মহানবমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
আজ রাতে প্যান্ডেলে এসো,
হাসিমুখে আড্ডায় মেশো।
চা আর গল্প চলবে রাতভর,
উঠবো যখন হবে ভোর।
শুভ মহানবমী।
আজকে পুজোর শেষ রাত,
চলো সবাই, ধরো হাত।
যত ঠাকুর আছে বাকি,
কিছুই যেন বাদ না রাখি।
পায়ে ব্যথা, চোখে ঘুম,
তবু ঠাকুর দেখার ধুম।
শুভ মহানবমী।
নবমীতে শেষ অঞ্জলি দিলাম মায়ের পায়ে,
পুজোর গন্ধ লেগে আছে নতুন জামার গায়ে।
ফিরতি পথে মনটা যেন একটু ভারী লাগে,
মায়ের আশিস সঙ্গে নিয়ে আবার আশা জাগে।
মায়ের আশীর্বাদ থাকুক তোমার সঙ্গে।
শুভ নবমী।
সন্ধ্যা হলেই বেরিয়ে চলো,
কোন প্যান্ডেলে যাবে বলো।
আজ নবমীর সারা রাতে,
ঠাকুর দেখবো তোমার সাথে।
তোমার নবমী কাটুক দারুণ আনন্দে।
নবমী আজ, খুশির দিন,
তোমার জীবন হোক রঙিন।
ঠাকুর দেখো সারা রাত,
বন্ধুর হাতে রেখে হাত।
সেরা জামাটা নবমীতে পরো,
খাও-দাও, আর অনেক মজা করো।
শুভ নবমী, ভালো থেকো।
সন্ধিপুজোর পুণ্য ক্ষণে,
শান্তি নামুক তোমার প্রাণে
প্রদীপ-আলোয় ঘরটা ভরুক,
চিন্তা-ভাবনা সব দূরে সরুক।
শুভ মহানবমী।
নবমীতে সুস্থ থাকুক
আপনজন সবাই।
মায়ের কাছে তাদের জন্য
সুখ আর শান্তি চাই।
নবমীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
ঢাকের তালে, ধুনোর ধোঁয়ায়,
ভরুক জীবন খুশির ছোঁয়ায়।
ধুনুচি নাচে মাতবে যখন,
ভুলে যাবে সব দুঃখ্য তখন।
নবমীর অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
নবমীতে সন্ধ্যারতির জমবে বিশাল আসর,
ঢাকের সাথে তালে তালে বাজবে শাঁখ আর কাঁসর।
মায়ের মুখে প্রদীপ-আলো, ভক্তি জাগবে প্রাণে,
ঘুরবো আমরা শহর জুড়ে ঠাকুরের সন্ধ্যানে ।
শুভ নবমীর অভিনন্দন।
কাজের চাপ আজ ভুলে যাও,
নবমীর খুশি লুটে নাও।
ঢাকের তালে নাচুক প্রাণ,
ঠোঁটে থাকুক পুজোর গান।
তোমাকে জানাই নবমীর শুভেচ্ছা।
নবমীতে শেষ অঞ্জলি,
হাতজোড় করে মাকে বলি,
সবার ঘরে সুখ দিয়ো,
সব দুঃখ তুলে নিয়ো।
শুভ নবমী।
কাল তো মা যাবেন ফিরে,
আজ মাতো উৎসবের ভিড়ে।
মন খারাপ রেখো তুলে,
প্রাণ খুলে হাসো, সব ভুলে।
শুভ মহানবমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
Bijoya Dashami Wishes in Bengali | শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা ও ছবি
যে মাকে কদিন ধরে এত ভালোবাসায় আগলে রাখা হলো, দশমীর সকালে তাঁকেই হাসিমুখে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। পুজো শেষে আয়নায় মায়ের প্রতীকী বিসর্জন হয়, যাকে বলে দর্পণ বিসর্জন। তারপর বিবাহিত মেয়েরা পান আর মিষ্টি দিয়ে মাকে বরণ করে, সিঁথিতে সিঁদুর ছুঁইয়ে যখন একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দেন, তখন গোটা মণ্ডপ লালে লাল হয়ে ওঠে। প্রতিমা বিসর্জনের পর শুরু হয় বড়দের প্রণাম, সমবয়সীদের সঙ্গে কোলাকুলি আর ছোটদের মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ। একসময় দূরে থাকা গুরুজনদের পোস্টকার্ডে ‘শ্রীচরণেষু’ লিখে বিজয়ার প্রণাম পাঠানোর রেওয়াজ ছিল, আজ সেই কাজটাই করে একটা সুন্দর শুভেচ্ছা বার্তা। নিচের Bijoya Dashami wishes in Bengali ও ছবিগুলো দিয়ে সেই রীতিটাকেই বাঁচিয়ে রাখুন, আর সবাইকে জানিয়ে দিন শুভ বিজয়া।
যাওয়ার আগে মাগো তুমি দুঃখ সবই নিয়ো,
সারা বছর সবার ঘরে সুখের আলো দিয়ো।
শুভ বিজয়া।
ঢাকের বোলে, নাচের দোলে,
মা চলেছেন গঙ্গা-কোলে।
এই বিসর্জনে ব্যাকুলতা,
সবার মুখে একই কথা,
আসছে বছর আবার হবে,
মাগো তুমি আসবে কবে?
শুভ বিজয়ার অভিনন্দন।
দর্পণে মায়ের মুখটি দেখে বিদায় জানাই তাঁকে,
এক বছরের অপেক্ষাতে মনটা পড়ে থাকে।
শুভ বিজয়ার অভিনন্দন।
আসছে বছর আবার হবে,
এই আশাতে বাঁচি,
ভালো থেকো, সুখে থেকো,
মনের কাছাকাছি।
শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
দ্বেষ-হিংসা দূরে যাক।
ঘরে ঘরে শান্তি থাক।
বিজয়ার দিনে এই তো চাই।
ভালো থাকুক আপনজন সবাই।
শুভ বিজয়ার প্রীতি ও ভালোবাসা।
দর্পণ বিসর্জন শেষ হলো।
ভাসানের পথে এবার চলো।
মায়ের ওপর ভরসা রাখি।
সুখে-দুঃখে তাঁকেই ডাকি।
বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
কোলাকুলির উষ্ণ ছোঁয়ায় মুছুক অভিমান,
মিষ্টিমুখের মধুর স্বাদেভরুক মোদের প্রাণ।
তোমায় শুভ বিজয়া জানাই।
ভাসানে আজ ঢাকের তালে নাচবো মন খুলে,
তুমিও এসো, দুজন মিলে দুঃখ যাবো ভুলে।
আসছে বছর আবার হবে।
শুভ বিজয়া।
শ্রদ্ধাভরে এই বিজয়ায় তোমায় প্রণাম জানাই।
মায়ের কাছে মনেপ্রাণে তোমার মঙ্গল চাই।
বিজয়ার আন্তরিক প্রণাম ও শুভেচ্ছা।
দর্পণ বিসর্জন শেষ হলো।
এবার নদীর দিকে চলো।
ঢাকের তালে বিদায় দিই।
মায়ের আশিস সঙ্গে নিই।
শুভ বিজয়া দশমী।
বেলপাতাতে দুর্গা নাম লিখি যত্ন করে,
মায়ের আশিস থাকুক তোমার সারা বছর ধরে।
শুভ বিজয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ঢাকের তালে পা মেলাই।
ভাসানের পথে নাচি গাই।
শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
যেখানেই থাকো তুমি, মনে রেখো আমায়,
বিজয়ার এই শুভেচ্ছা রইলো অনেক ভালোবাসায়।
শুভ বিজয়া দশমী।
জেনে কিংবা না জেনে যদি দিয়ে থাকি ব্যথা,
আজ বিজয়ার পুণ্য দিনে ভুলে যেও সেই কথা।
শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিয়ো।
Durga Puja GIF Wishes in Bengali | দুর্গা পূজার অ্যানিমেটেড শুভেচ্ছা কার্ড
পুজোর আনন্দ কখনও এক জায়গায় থেমে থাকে না, তাই সেই আনন্দের শুভেচ্ছাও যদি একটু নড়েচড়ে ওঠে, তাহলে মন্দ কী? এই অংশের Durga Puja GIF wishes in Bengali হলো একেকটা ছোট্ট অ্যানিমেটেড শুভেচ্ছা কার্ড, যেখানে পুজোর চেনা মুহূর্তগুলো চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে। আরতির প্রদীপ হাতে পূজারি থেকে শুরু করে নিজের ছন্দে মেতে ওঠা ঢাকি, ধুনুচি নিয়ে নাচতে থাকা মেয়েরা, অঞ্জলির ফুল নিবেদন করা ভক্তের দল, কিংবা দশমীর দিন মাকে বরণ করার মুহূর্ত, সবই আছে এই সংগ্রহে। যে কার্ডটা দেখে আপনার মন ভরে যাবে, সেটাই পাঠিয়ে দিন প্রিয়জনদের, যাতে শুভেচ্ছার সঙ্গে মণ্ডপের এক টুকরো উৎসবও পৌঁছে যায় তাঁদের কাছে।
Durga Puja 2026 Nirghanta | দুর্গাপুজো ২০২৬ নির্ঘণ্ট
শুভেচ্ছা পাঠানোর পাশাপাশি পুজোর কোন দিনে কোন আচার, সেটাও আগে থেকে জেনে রাখলে কটা দিন অনেক নিশ্চিন্তে কাটে। তাই গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মেনে বাংলা তারিখ সহ নিচে রইল ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট, যেখানে দেখবেন এবার সপ্তমী পড়েছে শনি ও রবি, দু’দিন জুড়ে।
| পুজোর দিন | তারিখ ও বার | বাংলা তারিখ (১৪৩৩) | প্রধান আচার |
|---|---|---|---|
| মহাষষ্ঠী | ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার | ২৮ আশ্বিন | সন্ধ্যায় দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস |
| মহাসপ্তমী | ১৭ ও ১৮ অক্টোবর, শনি ও রবিবার | ২৯ ও ৩০ আশ্বিন | শনিবার সকালে নবপত্রিকা স্নান ও প্রবেশ, সপ্তমী বিহিত পুজো |
| মহাষ্টমী | ১৯ অক্টোবর, সোমবার | ১ কার্তিক | অষ্টমী বিহিত পুজো, পুষ্পাঞ্জলি, কুমারী পুজো ও সন্ধিপুজো* |
| মহানবমী | ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার | ২ কার্তিক | নবমী বিহিত পুজো ও হোম |
| বিজয়া দশমী | ২১ অক্টোবর, বুধবার | ৩ কার্তিক | দশমী বিহিত পুজো, দর্পণ বিসর্জন, দেবীবরণ, সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জন |
*সন্ধিপুজো হবে সোমবার, ১৯ অক্টোবর সকালে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে ৭টা ২৬ মিনিট থেকে ৮টা ১৪ মিনিটের মধ্যে, আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে ১০টা ২৮ মিনিট থেকে ১১টা ১৬ মিনিটের মধ্যে। পঞ্জিকাভেদে সময়ের এই তফাতের জন্য নিজের পাড়ার পুজো কমিটি বা বাড়ির পুরোহিতমশাই যে সময় জানাবেন, সেটাই মেনে চলুন।



































Leave a Reply